গাড়ি বাজার

টায়ার কেনার আগে যা জানা দরকার

টায়ারই গাড়ি বা বাইকের একমাত্র অংশ যা সরাসরি রাস্তা ছোঁয়। ব্রেক করা, বাঁক নেওয়া ও বৃষ্টিতে নিরাপদ থাকা অনেকটাই টায়ারের অবস্থার উপর নির্ভর করে। কেনার আগে নিচের বিষয়গুলো দেখে নিন।

১. টায়ারের সাইজ কীভাবে পড়বেন

টায়ারের পাশে 205/55 R16 ধরনের লেখা থাকে। প্রথম সংখ্যা (205) টায়ারের প্রস্থ মিলিমিটারে। দ্বিতীয় সংখ্যা (55) পাশের উচ্চতা, যা প্রস্থের শতকরা হিসেবে। R মানে রেডিয়াল গঠন। শেষ সংখ্যা (16) রিমের ব্যাস ইঞ্চিতে। পুরনো টায়ারের পাশ থেকে সাইজ দেখে একই সাইজ কিনুন। ম্যানুয়ালে বা চালকের দরজার পাশের স্টিকারেও সঠিক সাইজ লেখা থাকে।

২. তৈরির তারিখ দেখুন

টায়ারের গায়ে DOT লেখার পাশে শেষের চার সংখ্যা তৈরির সময় বোঝায়। প্রথম দুই সংখ্যা সপ্তাহ, পরের দুই সংখ্যা সাল। যেমন 2425 মানে ২০২৫ সালের ২৪তম সপ্তাহ। অনেক প্রস্তুতকারক অনেক পুরনো টায়ার না কেনার পরামর্শ দেন, কারণ রাবার সময়ের সাথে শক্ত হয়ে যায়। দোকানে পড়ে থাকা বহু বছরের পুরনো টায়ার এড়ানো ভালো।

৩. ট্রেড (খাঁজ) ও গায়ের অবস্থা

৪. বাতাসের চাপ

চালকের দরজার পাশের স্টিকারে বা ম্যানুয়ালে সঠিক চাপ লেখা থাকে। টায়ার ঠান্ডা অবস্থায় মাপুন। কম চাপে টায়ার বেশি ক্ষয় হয় ও জ্বালানি বেশি লাগে, আবার বেশি চাপে রাস্তায় ধরন কমে যায়।

৫. মোটরসাইকেলের টায়ার

বেশিরভাগ বাইকে সামনের ও পেছনের টায়ারের সাইজ আলাদা। রিম টিউবলেস টায়ারের উপযোগী কি না জেনে নিন। টিউব লাগানো রিমে টিউবলেস টায়ার লাগালে সমস্যা হতে পারে। ভারী বোঝা বহন করলে বা হাইওয়েতে বেশি চালালে মানসম্পন্ন টায়ার বেছে নিন।

৬. ব্যবহৃত টায়ার কেনার সময়

ব্যবহৃত টায়ার কিনলে ভেতরের দিকটাও দেখুন। ভেতরে মেরামতের ছাপ, কাটা বা ফোলা থাকলে নেবেন না। চারটা টায়ার একসাথে বদলানো সম্ভব না হলে অন্তত একই অ্যাক্সেলের দুটি টায়ার একই ধরনের ও সমান ক্ষয়ের নিন।

৭. নকল ও নিম্নমানের টায়ার এড়ানোর উপায়

৮. নিয়মিত যত্ন

মাসে অন্তত একবার চাপ মাপুন। ম্যানুয়ালের নির্দেশমতো টায়ার ঘুরিয়ে লাগান ও অ্যালাইনমেন্ট ঠিক রাখুন। এতে টায়ার সমানভাবে ক্ষয় হয় ও বেশি দিন চলে।

গাড়ি বাজারে বিক্রেতার সাথে চ্যাট করে টায়ারের সাইজ, তৈরির তারিখ ও অবস্থা জেনে নিয়ে তারপর কিনুন।